“কাইয়ুম সরকারের বিরুদ্ধে ভুয়া মানববন্ধন:
নরসিংদী প্রতিনিধি:
আলোকবালী ইউনিয়নের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির সদস্য সচিব কাইয়ুম সরকার। অভিযোগ উঠেছে, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ভুয়া মানববন্ধনের নাটক সাজিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত এবং ভাড়াটে হিসেবে আনা হয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাইয়ুম সরকার দীর্ঘদিন ধরে আলোকবালী ইউনিয়নে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হওয়ায় এলাকায় তার গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের জন্য এটি এক ধরনের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কাইয়ুম সরকারের শক্ত অবস্থানের কারণে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই তারা অপপ্রচার ও মিথ্যা নাটক সাজিয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আলোকবালীর রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই অঞ্চলে বিএনপির শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মরহুম মিজানুর রহমান মিজান, যিনি ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার পথ অনুসরণ করে পরবর্তীতে নেতৃত্ব দেন তার সন্তান মরহুম আইয়ুব আলী মেম্বার, যিনি চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও দলকে সংগঠিত রেখেছিলেন।
বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতায় রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন নায়েব আলী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। একাধিক মামলায় কারাবরণসহ নানা নির্যাতনের মধ্যেও তিনি দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বলে নেতাকর্মীরা দাবি করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোকবালী ইউনিয়নে জনপ্রিয়তা ও প্রভাবের কারণে কাইয়ুম সরকারকে ঘিরে ষড়যন্ত্র নতুন কিছু নয়। তবে স্থানীয় জনগণের একটি বড় অংশ তার পাশে রয়েছে, যা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে, ভুয়া মানববন্ধনের এই ঘটনা আলোকবালীর রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে এবং এটি যে বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশলের অংশ—এমন ধারণাই জোরালো হচ্ছে এলাকাজুড়ে।