বিশ্বনাথ সিলেট প্রতিনিধিঃ
বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়নের লালটেক গ্রাম থেকে ১৯ বছর বয়সী বাবলী বেগম নামের এক তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তরুণীর নিজ বাড়ী থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে বিশ্বনাথ থানায় নিয়ে আসা হয়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
আইনী প্রক্রিয়ায় ময়না তদন্তের জন্য আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে তরুণী মৃতদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বাবলী বেগম গলায় ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবী করা হয়েছে।
তরুণীর পিতা মখলিছ মিয়া থানা পুলিশের কাছে লিখিত দাবী করেন, তাঁর মেয়ে ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে পরনের ওড়না গলায় পেছিয়ে আত্মহত্যা করেছে এবং সে মানসিক রোগে দীর্ঘদিন ধরে আক্রান্ত ছিল। মখলিছ মিয়ার তথ্যমতে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে পারিবারিক ভাবে নিজ বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার আড়াই ঘটিকায় তার মেয়ে কে ঘরে রেখে তিনি রামপাশা বাজারে চলে যান। এসময় তিনির ছেলে কয়েছ আহমদ সিলেট শহরে ছিল। বিকেল ৫ ঘটিকা নাগাদ ছেলে বাড়িতে এসে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ দেখতে পায়। একপর্যায়ে সে ঘরের রান্নাঘরের টিন খুলে ঘরে প্রবেশ করে দেখে তার বোন পরনের ওড়না পেছিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপর ভাই কয়েছ আহমদ বোনের মৃতদের খুলে নিচে নামিয়ে রেখে বাবা মখলিছ মিয়াকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে (বাবা) তিনি বাড়িতে যান এবং থানা পুলিশকে অবগত করেন। পিতার লিখিত বর্ণনামতে তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কারো প্রতি কোনো সন্দেহ না থাকায় বিষয়টি অপমৃত্যু হিসেবে রেকর্ড করতে আবেদন করেন। তরুণীর মৃত্যু বিকেল আড়াই ঘটিকা হতে ৫ ঘটিকার মধ্যে হলেও পুলিশ মৃত দেহ গভীর রাতে উদ্ধার করে থানা আনে।
বিশ্বনাথ থানায় অপমৃত্যুর আবেদন সম্পর্কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মাহবুবুর রহমান। এবং তিনি জানান মৃতদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে, হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্বনাথ সিলেট প্রতিনিধিঃ