1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
আলোকবালীতে জনপ্রিয় বিএনপি নেতাকে ঘিরে নতুন ষ ড় য ন্ত্র রক্ষক যখন ভক্ষক : শাহজালালে ১.২২ কোটি টাকার স্বর্ণসহ স্পেশাল ব্রাঞ্চের কনস্টেবল গ্রেপ্তার বিশ্বনাথে জনতার হাতে চোর আ টক: থানায় সো পর্দ  ই য়া বা-গাঁ জাসহ বিশ্বনাথে ২ নারী আ ট ক লোহাগড়ায় শুরু হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব হালখাতা বিশ্বনাথে কুড়ালের আ*ঘা*তে খু*ন হলেন মাজারের খাদেম শাহ আলম চিশতী বিশ্বনাথে পেট্রোল মজুদ নিয়ে সংঘর্ষে থানায় মামলা: নারীসহ আহত-৪ লোহাগড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন লোহাগড়ায় গলায় ফাঁ/স নিয়ে যুবকের আ/ত্মহ/ত্যা লোহাগড়ায় বিনামুল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ বিশ্বনাথে রাস্তা পাওয়া নবজাতকের ঠাঁই হল সিলেট বাগবাড়ি ছোটমণি নিবাসে বিশ্বনাথে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা নবজাতক উ দ্ধা র আইনের শাসন না থাকায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জঘন্য ঘটনা ঘটেছে —ইসলামী আন্দোলন  ফুলবাড়ীতে প্রবাসীর একাধিক বিয়ে নিয়ে এলাকায় মানববন্ধন বিশ্বনাথে মরহুম সোহেল আহমদ চৌধুরীর মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি আইম্মা পরিষদের

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৪৮৪ Time View

মোঃ আশরাফুল ইসলাম খুলনা সদর প্রতিনিধিঃ সরকার দেশের এতিমখানা চালু রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এটা ইতিবাচক। এই নির্দেশনার আওতায় সকল কওমি মাদরাসাও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। কারণ, প্রতিটি কওমি মাদরাসায় এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং-এর ব্যবস্থা আছে। তা সত্বেও কওমি মাদরাসা বন্ধ করে হাজার হাজার এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের খাদ্যঝুকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। এটা সামাজিক অস্থিরতাও তৈরি করছে। বলেছেন জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী (পীর সাহেব কারীমপুর)।আজ মঙ্গলবার (১৫ জুন) দুপুর ১২ টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টর্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলন থেকে গণমুখী চার দাবি পেশ করেন তিনি। দাবিগুলো হলো,১. মানবিক বিবেচনায় কওমি মাদরাসা খুলে দিন।

২. সকল প্রাইমারী স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিন।
৩. ইমাম, মুয়াজ্জিনদের চাকুরীবিধি ও বেতন কাঠামো ঠিক করুণ।
৪. কুরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করুণ।সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী। কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শায়খুল হাদীস মাওলানা হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা কামাল উদ্দিন সিরাজ, মুফতি আশরাফ আলী নূরী, মুফতি ওয়ালী উল্লাহ, মাওলানা মোরতুজা কাসেমী, মুফতি আক্তারুজ্জামান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা রফিকুন্নবী হক্কানী, মাওলানা শাহজাহান হাবিবি, মাওলানা বাসির মাহমুদ প্রমূখ।এ সময় লিখিত বক্তেব্য কওমি মাদ্রাসা প্রসঙ্গে আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী বলেন, কওমি মাদরাসা আর সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে চরিত্রগত মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষা প্রদানের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে। ফলে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরিতে অবদান রাখে। করোনার এই দুঃসময়ে যখন মানুষের খাদ্য সংকট চরমে; এমনি মুহূর্তে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর খাদ্য ও আবাসন ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখা অমানবিক।তিনি বলেন, সরকার এতিমখানা চালু রাখার নির্দেশনা জারি করেছে। এটা ইতিবাচক। এই নির্দেশনার আওতায় সকল কওমি মাদরাসাও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। কারণ, প্রতিটি কওমি মাদরাসায় এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং-এর ব্যবস্থা আছে। তা সত্বেও কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে হাজার হাজার এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের খাদ্যঝুকির মধ্যে ফেলা হয়েছে। এটা সামাজিক অস্থিরতাও তৈরি করছে। এসকল মানবিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে দেশের সকল কওমি মাদরাসা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে লাখ লাখ শিক্ষার্থী, এতিম ও অসহায় মানুষের আবাসন ও খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন করার মূল লক্ষ্যই হলো, সকল শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠান থেকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা পাবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্য ধারাগুলো এই লক্ষ্য থেকে অনেকটাই বিচ্যুত। প্রাইভেট পড়ানো, কোচিং ও নোট ব্যবস্থার দৌরাত্ম্য শিক্ষাব্যবস্থায় সর্বজন বিদিত ব্যাধি। অপরদিকে কওমি মাদ্রাসা এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আদর্শ মান ধরে রেখেছে। একমাত্র কওমী মাদ্রাসাতেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়। এখানে কোন প্রাইভেট পড়ানো, কোচিং ও নোট বাণিজ্য হয় না। শিক্ষকগণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠানে মনোনিবেশ করেন এবং তাদের আয় উপার্জনও সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠান প্রদেয় বেতন-ভাতার উপর নির্ভর করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে তাদের আয়-উপার্জন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে আছে। উপার্জনের জন্য বারোয়ারি ধান্দা না করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় একনিষ্ঠতার এই শুদ্ধবাদীতাই যেন কওমি শিক্ষকদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, নির্ভেজাল শিক্ষানিষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগকে সম্মান করে এবং তাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে অবিলম্বে সকল কওমি মাদ্রাসা খুলে দিন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে দিন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews