জহুরুল হক মিলু, লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ (লোহাগড়া-নড়াইল সদর একাংশ) আসনে লোহাগড়া উপজেলায় প্রচার-প্রচারণার শীর্ষে রয়েছেন স্বতন্ত্র কলস প্রতীকের প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে উপজেলার স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলামের (কলস প্রতীক) সমর্থক ও নেতাকর্মীরা ততই শক্ত হাতে ভোটের মাঠ চোষে বেড়াচ্ছেন বলে জানা গেছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও নেতাকর্মীরা গ্রাম গঞ্জে ঘুরে কলস প্রতীকের জন্য ভোট ভিক্ষা করে চলেছেন। গত ক’দিন ধরে দিনের বেলায় ভাগ ভাগ হয়ে মহিলা কর্মীরা ও রাতের বেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও নেতাকর্মীরা ভেটাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কলস প্রতীকে ভোট দেওয়ার আকুতী করছেন। একই সাথে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর গ্রামে গ্রামে চলছে কলস প্রতীকের উঠান বৈঠক। এসব উঠান বৈঠকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলামসহ তার সমর্থক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে তাদের দুঃখ কষ্ট ও সমস্যার কথা ব্যাক্ত করে চলেছেন।
এছাড়া উপজেলার প্রতিটি হাটে-বাজারে কলস প্রতীকের পক্ষে খন্ড খন্ড মিছিল অব্যাহত রয়েছে এবং চায়ের দোকানে কলস প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। সব মিলে অত্র উপজেলায় ভোটের মাঠ কলস প্রতীকের সমর্থক ও নেতাকর্মীরা চাঙ্গা করে তোলেছেন বলে জানা গেছে।
অন্যান্যের মধ্যে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু, লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম, ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. নুর ইসলাম, ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী মো.শোয়েব আলী ও জাহাজ প্রতীকের প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন। এদের মাইকিং প্রচারণা ও গণসংযোগ চলছে।
স্থানীয় কলস প্রতীকের সমর্থকরা জানান, দীর্ঘদিন পরে আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। এ সুযোগ আমরা কাজে লাগাতে চাই। তাই যেভাবেই হোক গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভোটারদের বুঝিয়ে কলস প্রতীকে ভোট দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছি।
রোববার জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি মোল্যা মোশাররফ হোসেন কামরুল বলেন, এ বছর নির্বাচনে হাট-বাজার, গ্রাম-গঞ্জে ও রাস্তা ঘাটে ঘুরে দিনরাত কলস প্রতীকে ভোট ভিক্ষা করে চলেছি।
তিনি আরও বলেন, নড়াইলে-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (কলস প্রতীক) মো. মনিরুল ইসলাম একজন যোগ্য প্রার্থী। আমি আশা করি ভোটাররা এই যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং বিজয়ী করবেন ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম বলেন, মো. মনিরুল ইসলামের মতো একজন নেতা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। তাই এ সুযোগ আমরা হাতছাড়া করতে চাই না। তাই দিনরাত কলস প্রতীকে ভোট চেয়ে ভোটের মাঠ চোষে বেড়াচ্ছি এবং ভেটাদের বোঝাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস.এম মিজানুর রহমান বলেন, আমরা রাতদিন গ্রুপে গ্রুপে ভোটের মাঠে ঝাপিয়ে পড়েছি।
এ বছর স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় উপজেলায় ভোটের মাঠ চাঙ্গা হয়ে দাড়িয়েছে। তাই আমরা যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দেবো। আশা করি এ বছর আমরাই বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।