1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
রাজারহাটে পানিবন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার পানি:দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ লোহাগড়া ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রামে র‍্যাবের মহাপরিচালকের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ বন্যায় বিশ্বনাথে ৮১ কোটি টাকার ক্ষতি  কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ লোহাগড়ায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্ধোধন রৌমারীতে ৪৮বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার-১ ফুলবাড়ীতে দুই কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার নওগাঁয় ৩ মাস ধরে গৃহবন্ধী অসহায় এনতাজ আলীর পরিবার, চলাচল করেন পুকুরে সাঁতার কেটে লোহাগড়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ী ইউনিয়নে পানি বন্দি একশত পরিবারের মাঝে চাউল বিতরন বৈরাগী বাজারে জমজমাট নৌকার হাট: বন্যা এলে নৌকার কদর বাড়ে ভারতের উত্তর প্রদেশে ১ দিনে বজ্রপাতে মৃত-৩৮ ফুলবাড়ীতে অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশ্নপত্র দিয়ে ষাণ্মাষিক সামষ্টিক মূল্যায়ণ পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে পাটের ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক

  • Update Time : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ৩০২ Time View

এইচ এম বাবুল জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রামঃ– কুড়িগ্রাম জেলার নয়টি উপজেলায অনুকূল আবহাওয়া, মানসম্মত বীজ বপন ও কৃষকের নিবিড় পরিচর্যায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। আর এবারে বাজারে পাটের ভালো দাম পাওয়ায় সুদিন মুখে হাসির ঝিলিক পাট চাষীদের। বাংলাদেশের সোনালী আঁশ খ্যাত পাট চাষ করে কৃষক পরিবারের বইছে উৎসবের আমেজ ।

সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রাম গত কয়েক বছর হতে শুধুমাত্র নদী অববাহিকার কৃষকেরা পাট চাষ করতেন। কিন্তু সোনালী আঁশ পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে জেলার সকল উপজেলা কৃষি অফিসের তৎপরতায় এবছর প্রায় এলাকায় পাট চাষ হয়েছে।এদিকে মৌসুমের শুরুতেই বাজারে নতুন পাট তুলতে শুরু করেছেন চাষীরা। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় কিনছেন পাট ব্যবসায়ীরা।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, পাট কাটা, জাঁক দেয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। সারাদিনের প্রখর রোদে পাট শুকানোর কাজ সহজ হলেও অনাবৃষ্টির কারণে পর্যাপ্ত পানির অভাবে পাট জাঁক দিতে ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন অনেকে।
আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবারে প্রতিবিঘা জমিতে ১২ থেকে ১৫ মণ পাটের ফলন হয়েছে।
পাট চাষের আয় ব্যয়ের বিষয়ে কৃষকেরা জানান, এবছর পাট চাষের জন্য সরকারি সহায়তায় বিনামূল্যে বীজ ও সার দিয়েছে। জমি চাষ, নিড়ানি, পাট কাটা, জাঁক দেয়া, ধোয়া ও শুকাতে সব মিলিয়ে বিঘা প্রতি ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবারে খরচ বাদ দিয়েও প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদিত পাট বিক্রি করে বর্তমান বাজার মূল্যে আমাদের ৪০ হাজারেরও বেশি টাকা লাভ হবে। তাছাড়াও পাটখড়ির (পাটশোলা) ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় বাড়তি লাভেরও আশা কৃষকদের।
এদিকে ক্ষুদ্র প্রান্তিক পাট চাষী আবুবক্কর সিদ্দিক সহ অনেকে দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাট কাটা, জাঁক দেয়া, ধোয়া ও শুকানোর সময়ই আমাদের টাকার প্রয়োজন হয়। উপায়ান্ত না পেয়ে ধার দেনা করে পাট বাড়ীতে আনি। এসময়ে বাজারে পাটের দাম কম থাকে। আর ধার দেনা শোধ করার তাগিদে কম দামেই আমাদের পাট বেচতে হয়। পরে দেখা যায় পাটের দাম দুই তিনগুণ বেশি হয়। আমরা কস্ট করে ফসল উৎপাদন করেও বেশি লাভ করতে পারি না। মৌসুমের প্রথম থেকেই যদি পাটের দাম বেশি থাকতো তাহলে আমরা আরও বেশি লাভবান হতাম। এসময় মৌসুমের শুরুতেই সরকারি ভাবে পাটের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews