করোনার এই ক্ষণে যেই জাতী ধর্ষণে চুরি আর হত্যায় মেতে রয় সাবাস বাংগালী জাতী নামে শুধু সুখ্যাতী কাজের বেলায় কিছু নয় । চোখের সামনে রোজ হচ্ছে কত নিখোঁজ ওরা তবু হচ্ছেনা ঠিক পেছনে নিন্দা করে
মিজানুর রহমান মিজান বর্তমানে আমরা আমাদের চিন্তা চেতনাকে আবর্তিত করি শুধু নিজকে নিয়েই। অন্যের ভাল-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধার কথায় মোটেই চিন্তাকে বিকশিত করি না। কিন্তু আমরা সমাজ, সমাজবদ্ধ মানুষ নিয়ে বসবাস করি নিরেট সত্য রুপে।চিন্তা-চেতনাকে প্রসারিত করতে
লেখক, মিজানুর রহমান মিজান: মানুষ সৌন্দর্য পিপাসু এবং চিত্তের বিত্তশালী হতে বিভিন্ন প্রকার কর্মকান্ড পরিচালনা করে। আনন্দ ও সৌন্দর্য পরস্পর সম্পর্কিত। আনন্দ উপভোগ করার সাথে জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃতি লাভ করে। তাই আনন্দ উপভোগের বিভিন্ন প্রকার
লেখক ; মিজানুর রহমান মিজান চতুর্দশ পর্ব- পাঠক আপনাদের স্মরণ আছে আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু মদন মোহন কলেজের প্রিন্সিপাল আমাকে বলেছিলেন,‘আমি কলেজের সমুদয় বকেয়া প্রদান করে নির্বাচনী পরিক্ষা দিতে।আমি কিন্তু বকেয়া টাকা পরিশোধ না করেই
পরের জায়গায় বসত করে কিসের বড়াই বাবু , খাজনা পাতি না দিলে হবে একদিন কাবু । যতই করো ছলচাতুরী মিথ্যা বাহানা, মনের দরজায় জং ধরিলে রেহাই পাবেনা । দেহে থাকুক যতই তোমার শৈল সম-বল, চাপের
ভোরের জানালার কার্ণিশে ডাকা কাকটির কর্কশ ধ্বনি কানে বাজে, ভীষণ রকম হাহাকার করে ওঠে বুকের ভেতর। কতটা প্রাণ বেরিয়ে গেছে , দৃশ্যপটে ভেসে উঠে হাসপাতালে স্বজনের আহাজারি! আবার কাকের সেই কর্কশ ধ্বনি! মনে হয় লাশবাহী
আল্লাহ তুমি মহান উদার রহিম ও রহমান , এই অবনীর গগন- বারীশ সবই তোমার দান । ফুল বাগানে ফোটাও তুমি হরেক রকম ফুল । বিচিত্র সব সৃষ্টি তোমার দেয় যে ভেঙ্গে ভূল । আল্লাহ তুমি
“বঙ্গবন্ধু” শব্দের মাঝে ঢুকছে কিছু কীট বাইরের দিকটা ঝলমল তারই ভেতর নয় তার ফিট। বঙ্গবন্ধুর অভিলাষে ঘুণ ধরেছে আজ পকেট গভীর নেতার দরুন মুজিব কোটের লাজ! স্বাধীন বাংলায় স্বাধীনতায় বিঘ্ন ঘটায় কারা ? বেঁচে থাকলে
প্রাচীন মিশর পর আল-আকসা কিংবা সিন্ধু-সভ্যতার সিঁড়িতে ইতিহাস আজ নবজন্ম চায়। অতঃপর আজ আধুনিক আমি যেমনটি সৃষ্টি করেছো আমাকে। তোমার বিভৎসতায় চাঁদের বুড়ি বেনীসুতোর জাল ভুনে না। বৃষ্টি ঝরে না সিনাই পর্বতে, বাগদাদ, কাবুলে। আতাতুর্কের
মিজানুর রহমান মিজান ত্রয়োদশ পর্ব- আমরা অনেক সলা-পরামর্শ করে এগুতে থাকি সামনের দিকে। শুরু হল স্কুলের তহবিল সংগ্রহের কাজ ধনাঢ্য ব্যক্তিদের নিকট যাতায়াত। পূর্বেই বলেছি আমরা সঠিক সময়ে স্কুল ছুটি দিয়ে অভিযান পরিচালনা করতাম।কারন স্কুলের