1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লোহাগড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা কোম্পানীগঞ্জ জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপিত লোহাগড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত নড়াইল জেলা ব্লাড ব্যাংকের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা, সভাপতি কায়ছার ও সম্পাদক রকি বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলের মৃ+ত্যু ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে গাছের চারা রোপণ করলেন ওসি বিশ্বনাথে নিখোঁজের ৫ দিন পর তরুণীর ঝুলন্ত পঁচা লাশ উদ্ধার  বিশ্বনাথে ৩৫০ পিস ই য়া বা ও গাঁ/জা সহ আ/ট/ক -১ নড়াইলে সড়ক দু*র্ঘট*নায় নসিমনের চালক নি/হ/ত  লোহাগড়ায় মরহুম ওবায়দুল হক সবুজের মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান, ৩ ইউনিয়নের জনগণের প্রশংসা লোহাগড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্ধোধন বিশ্বনাথে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষ*তি*গ্রস্ত পরিবারকে প্রবাসীর ঢেউটিন প্রদান

বিশ্বনাথে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১
  • ২৭৮ Time View

ফারুক আহমদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর এলাকার বিশ্বনাথ-জানাইয়া খেলার মাঠে যাওয়ার পথিমধ্যে শুকুর আলীর বাসা সংলগ্ন স্থানে গত ২০ মার্চ রাত ১০.২০টার দিকে ছুরিকাঘাতে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরান হোসেন সায়মন (২৫) খুন হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই ময়নুল ইসলাম সুমন বাদী হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলা নং ২৭ (তাং ২২.০৩.২১)। ছিনতাই করার জন্য নয়, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই ইমরান হোসেন সায়মনকে খুন করা হয়েছে মর্মে বাদী তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন- পৌর শহরের উত্তর মশুল্ল্যা (জানাইয়া) গ্রামের মনোহর আলীর পুত্র এনাম উদ্দিন (২৩), মোস্তাব আলীর পুত্র তাহিদ আলী (২৪), আব্দুল মছব্বিরের পুত্র আফজাল হোসেন লায়েক (১৯), মৃত তাহির উল্লার পুত্র ফয়েজ আহমদ (২৪) ও দক্ষিণ মশুল্ল্যা (জানাইয়া) গ্রামের তোরাব আলীর পুত্র তারেক আহমদ (২১)। ঘটনার পর পরই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত লায়েক, ফয়েজ ও তারেককে আটক করে থানা পুলিশ। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে ওই তিন জনকে সে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে থানা পুলিশ।
লিখিত এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, একই গ্রামে বাড়ি হওয়ার কারণে বাদীর ছোট ভাই ইমরান হোসেন সায়মনের সাথে চলাফেরা করার কারণে গ্রেপ্তারকৃত লায়েক, ফয়েজ ও তারেক তাদের বাড়িতে এবং নিহতের মুদির দোকানে আসা যাওয়া করত। মামলার প্রধান দুই অভিযুক্ত এনাম-তাহিদও বাদীর ভাইয়ের দোকানে আসা-যাওয়া ও বাজার-সদাই নিত। তবে অভিযুক্ত এনাম-তাহিদের সাথে গ্রেপ্তারকৃত লায়েক-ফয়েজ-তারেকদের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিলো ও তাহারা এক সাথে চলাফেরা করত। অভিযুক্ত এনাম-তাহিদ চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার কারণে বাদীর নিহত ভাই তাদেরকে (এনাম-তাহিদ) বাঁধা নিষেধ দিতেন। এনিয়ে তাদের (এনাম-তাহিদ) সাথে বাদীর নিহত ছোট ভাই ইমরান হোসেন সায়মনের মাঝে মধ্যে কথাকাটাকাটি হতো। এনিয়ে অভিযুক্তরা বাদীর ভাইয়ের উপর ক্ষিপ্ত ছিলো। এর জের ধরে মামলার প্রধান দুই অভিযুক্ত এনাম-তাহিদ তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু লায়েক-ফয়েজ-তারেকদের সাথে পরাপর্শ করে বাদী ভাই সায়মনকে শায়েস্তা করার জন্য পরিকল্পনা করেন। আর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ মার্চ সন্ধ্যার পর গ্রেপ্তারকৃত লায়েক, ফয়েজ ও তারেক বাদীর ছোট ভাই সায়মনকে বিশ্বনাথ সদরে নিয়ে আসে এবং একটি রেষ্টুরেন্টে এক সাথে চারজন হালিম খায়। হালিম খেয়ে তারা এক সাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেখে উপজেলা পরিষদ পয়েন্টে জামাল উদ্দিনের দোকানে এক সাথে চার (লায়েক, ফয়েজ, তারেক, সায়মন) জন পান-সুপারী খায়। পান-সুপারী খেয়ে রিক্সাযোগে বাড়ি যাওয়ার কথা থাকলেও গ্রেপ্তারকৃত লায়েক-ফয়েজ-তারেক বাদীর ভাই সায়মনকে উপজেলা পরিষদের মসজিদের সামন থেকে কাঁচা রাস্তা দিয়ে শুকুর আলীর বাসার দিকে নিয়ে যায়। কারণ তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযুক্ত এনাম-তাহিদ ঘটনাস্থলের আশপাশে অপেক্ষমান ছিলো। ঘটনাস্থলে ঘটনার সময় পৌঁছা মাত্র বাদীর ভাইয়ের সাথে প্রধান দুই অভিযুক্ত এনাম-তাহিদ বাদীর ভাই সায়মনকে দাড় করিয়ে নারী সংক্রান্ত ও তাদের কর্মকান্ড নিয়ে তার (সায়মন) সাথে তর্কাতর্কি শুরু করে। তাদের তর্কাতর্কির সময় সায়মনকে কোন সহযোগীতা না করে গ্রেপ্তারকৃত লায়েক-ফয়েজ-তারেক নিরব ভূমিকা পালন করে। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে এনাম-তাহিদের সাথে বাদীর ভাই সায়মনের হাতাহাতি শুরু হলে গ্রেপ্তারকৃত লায়েক-ফয়েজ-তারেক অভিযুক্ত এনাম-তাহিদকে সাহায্য করতে জোরপূর্বক সায়মনের হাত-পা-মুখ চেপে ধরে রাখে আর এসময় মামলার প্রধান অভিযুক্ত এনাম নিজের কাছে থাকা চাকু দিয়ে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বাদীর ভাই ইমরান হোসেন সায়মনের বুকের বামপাশের স্বজোরে ঘাই মারে। এরপর সায়মনের মৃত্যু নিশ্চিত করে অভিযুক্তদের ৩ জন (এনাম-লায়েক-তারেক) ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এবং অপর ২ জন (তাহিদ-ফয়েজ) হত্যার ঘটনাটি ভিন্নখ্যাতে প্রবাহিত করার জন্য ছিনতাইয়ের নাটক সাজানোর চেষ্টা করে।

এঘটনায় থানায় মামলা দায়ের ও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করার সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামীম মুসা বলেন, মামলার প্রধান দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Customized By BreakingNews