নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে চরম নৃশংসতার শিকার হয়েছে মাত্র ১৩ বছরের এক হিফজ বিভাগের ছাত্র। জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি জুবায়ের আহামেদ শাওন (৩০) তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে বলাৎকার করে এবং পরবর্তীতে ওই কিশোরের লিঙ্গ কেটে ফেলে। আজ সদর হাসপাতালে শিশুটিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। ঘটনার পরপরই নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করেছে।
ভুক্তভোগী কিশোর আড়াইহাজারের চাঁদপাশা ফয়জাবাদ জামিউল্লাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগীর বাবা আবদুল হক মিয়া জানান, শরিফ দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করছে এবং ইতোমধ্যেই কুরআনে হাফেজ হয়ে উঠেছে। এরই মাঝে ওই পাষণ্ড শিক্ষক আমার ছেলের সাথে এরকম কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযুক্ত জুবায়ের আহামেদ শাওন নরসিংদীর আড়াইহাজার থানার নোয়াদিয়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আবদুল লতিফ। ঘটনার সময় সে আড়াইহাজার থানার শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিল। সে নিজেও কুরআনে হাফেজ বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
নরসিংদী শিবপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ অনিক বলেন, এই ঘটনাটি জেনে অভিযুক্ত ওই পাষণ্ড শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেই। এর থেকে জঘন্যতম কোন কাজ হতে পারে না। এটার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
নরসিংদী সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন বলেন, অভিযুক্তকে আমরা আটক করেছি। তাকে তার সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হচ্ছে।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।