বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন বিশ্বনাথের পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান। রোববার ২৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তার প্রার্থীতা বৈধতার ঘোষণা দিলে তিনি সিলেট ২ আসন( বিশ্বনাথ -ওসমানীনগর) আসনে ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। হাইকোর্টে তার প্রার্থীতা বৈধ করায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোন বাধা নেই।
এর আগে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বাতিল করলে প্রার্থিতা ফিরে পেতে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন সিলেট-২ আসনে (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বনাথ পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান।
তার প্রার্থীতা নিশ্চিত হওয়ায় ভোটের মাঠে গরম বাতাস বইতে শুরু করেছে। ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকায় তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে এখন শংকা বিরাজ করছে। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মহাজোটের কবজায় গুরুত্বপূর্ণ সিলেট ২ আসনটি থাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বঞ্চিত থাকার রাজনৈতিক বক্তব্য ও আওয়ামীলীগের দখলে আসনটি পুনরুদ্ধারে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান চৌধুরী তফশিল ঘোষণার পর থেকে মাঠে সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন।
বর্তমান সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানের জনপ্রিয়তা অতিমাত্রায় না থাকলেও জাতীয় পার্টির ইয়াহইয়া চৌধুরীর অবস্থান মোটামুটি ভাল। শফিক চৌধুরীর সাথে নির্বাচনী মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাকে দেখা হত বলে গুঞ্জন শোনা গেলেও এখন পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান ও আওয়ামীলীগের শফিকুর রহমানের মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগের শফিকুর রহমান চৌধুরী জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন এমনটিই মাঠের সমীক্ষা বলছে।
সিলেট-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিকুর রহমান চৌধুরী, গণফোরামের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াহইয়া চৌধুরী, তৃণমূল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রব, বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী মো. জহির, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী মো. মনোয়ার হোসাইন ও মুহিবুর রহমান।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।