1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
লোহাগড়ায় মরহুম ওবায়দুল হক সবুজের মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান, ৩ ইউনিয়নের জনগণের প্রশংসা লোহাগড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্ধোধন বিশ্বনাথে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষ*তি*গ্রস্ত পরিবারকে প্রবাসীর ঢেউটিন প্রদান বিশ্বনাথে মাদক বিরোধী অ ভি যা নে যুবকের কা রা দণ্ড  বিশ্বনাথে সাংবাদিক মোসাদ্দিক সাজুলের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  বিশ্বনাথের ভুরকি ইসবপুর গ্রামের প্রবাসীদের অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাইড বিতরণ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতু দাখিল পরীক্ষায় পাননি বাড়তি সুবিধা শ্যামনগরে লিডার্সের সহযোগিতায় সমাজসেবা অফিসের গণশুনানি অনুষ্ঠিত
শিরোনাম
লোহাগড়ায় মরহুম ওবায়দুল হক সবুজের মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান, ৩ ইউনিয়নের জনগণের প্রশংসা লোহাগড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্ধোধন বিশ্বনাথে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষ*তি*গ্রস্ত পরিবারকে প্রবাসীর ঢেউটিন প্রদান বিশ্বনাথে মাদক বিরোধী অ ভি যা নে যুবকের কা রা দণ্ড  বিশ্বনাথে সাংবাদিক মোসাদ্দিক সাজুলের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  বিশ্বনাথের ভুরকি ইসবপুর গ্রামের প্রবাসীদের অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাইড বিতরণ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতু দাখিল পরীক্ষায় পাননি বাড়তি সুবিধা শ্যামনগরে লিডার্সের সহযোগিতায় সমাজসেবা অফিসের গণশুনানি অনুষ্ঠিত লোহাগড়ায় প্রকল্পের গরু বিতরণে অনিয়ম ও দূর্নীতি প্রসঙ্গে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন লোহগড়ায় এস এস সি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শকদের কর্মশালা ফুলবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-১ নড়াইলের কালিয়ায় বালু উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্বনাথে ইয়াবা কারবারি ও পরোয়ানাভুক্ত আসামী সহ আটক -৪

পবিত্র আশুরার ইতিহাস ফজিলত এবং করুনীয়

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৪০ Time View

আরবি ক্যালেন্ডারের প্রথম মাসের নাম হচ্ছে ‘মহররম’। মহররম মাসের দশম দিনকে বলা হয় ‘আশুরা’। আরবি ‘আশারা’ হচ্ছে দশ। সেই ‘আশারা’ থেকেই এসেছে ‘আশুরা’ তথা মহররম মাসের দশ তারিখ। পৃথিবীতে মহরমের দশ তারিখে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি ঘটেছে। যে কারণে এই তারিখটি ইহুদি, নাসারা, মুসলিম সকলের কাছে খুবই সম্মানিত।কুরআন হাদিসের আলোকে আশুরা সম্পর্কে কিছু উল্লেখিত বিষয়।
ইসলামে আশুরার গুরুত্বঃ
আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনে চারটি মাসকে সম্মানিত করেছেন। সেই চার মাসের একটি হলো মহররম।
আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।” (সুরা: আত তাওবাহ, আয়াত: ৩৬)
মুহররমের ফজিলতঃ

পবিত্র হাদিস থেকে জানা যায় মুহররম এবং আশুরার দিনে ইবাদত বন্দেগির অপরিসীম ফজিলত রয়েছে।
আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, রমাদান মাসের পর সর্বোত্তম সাওম হল মুহররম মাসের সাওম (আশুরার সাওম) এবং ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল রাত্রের সালাত।” (সুনানে আন-নাসায়ী ১৬১৩
আবূ কাতাদাহ আল-আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আরাফাহর দিনে সওম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-এর দ্বারা বিগত ও আগত এক বছরের গোনাহ (পাপ) মোচন হয়। “আশুরাহর দিনের সওম পালন সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হয়ে বললেন-বিগত এক বছরের পাপ মোচন হয়।” (বুলুগুল মারাম ৬৮০, মুসলিম ১১৬২, তিরমিযী ৬৭৬, নাসায়ী ২৩৮২, আবু দাউদ ২৪২৫, ইবনু মাজাহ ১৭১৩
উপর্যুক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজের ভাষণে বলেন, ‘তিনটি মাস ধারাবাহিক; আর তাহলো জিলকদ, জিলহজ এবং মহররম। আর অপরটি হলো রজব। যা জমাদিউস সানি ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।’ (বুখারি

মুহাররমের গুরুত্ব
আমরা ইসলামি ইতিহাস, হাদিস পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন ইসরাইলী সূত্র থেকে আশুরার বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি। যেগুলো আল্লাহর প্রেরিত বিভিন্ন নবী রাসুলের সাথে সম্পর্কিত। পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম পর্যন্ত অসংখ্য ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে এই আশুরা। যেকারণে এই দিনটি সকল আহলে কিতাবিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা বুখারি ৩৩৯৭, ও মুসলিম ১১৩৯ নং হাদিস থেকে এই দিনে ঘটিত দুটি ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট জানতে পারি।( ১) ফেরাউনের নির্যাতনের কবল থেকে- হযরত মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের মুক্তি। যখন আল্লাহ সাগরে রাস্তা সৃষ্টি করে তাঁদের নিরাপত্তা দিয়ে নিরাপদে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
(২) ফেরাউনের মৃত্যু। যখন আল্লাহ কতৃক সাগরের রাস্তা দিয়ে মুসা (আ.) ও তাঁর সাথীরা চলে যাচ্ছিলেন।
আশুরার করণীয় আমল
আশুরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে সাওম পালন করা। এবং তা শুধু একটি নয় বরং দুটি। আর এই সাওমের দ্বারা আল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করবেন ইনশা আল্লাহ।

আশুরাসহ মুহররমের পুরো মাস বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করা। কেননা অতীতের সকল নবী এবং নবীর উম্মতকে এই দিনেই ক্ষমা করা হয়। সুতরাং আশাকরান যায় যে, আল্লাহও এইদিনে আমাদের সাগর পরিমাণ গুনাহ ও মাপ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

এইদিনে যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি চরম হৃদয়বিদারক ঘটনার অবতারণা হয়েছে- সেহেতু সেই ঘটনা থেকেও আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। এই ঘটনা আমাদের ইমানকে জাগ্রত করে। সত্যের জন্য প্রয়োজনে জান দিয়ে দিতে হবে। তবুও মিথ্যার কাছে শয়তানের কাছে কখনোই মাথানত করা যাবে না।

হুসাইন (রা.) আত্মত্যাগ আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, নিজেদের ইমান আমল ঠিক রাখার জন্য যথাসাধ্য আত্মনিয়োগ করতে হবে। কখনোই দুনিয়াবী লোভে, প্রবৃত্তির তাড়নায়, শাসকগোষ্ঠীর চাপে নিজেদের ইমান বিলিয়ে দেওয়া যাবে না।

আশুরা সম্পর্কে ভুল ধারণাঃ
ইসলাম সম্পর্কে বিশদ না জনার কারণে এবং জানার চেষ্টা না করার কারণেও উপমহাদেশে আশুরাসহ বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে অসংখ্য ভুল ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। যা কখনোই ইসলাম সমর্থন করে না। এইসব ধারণা সমূহ হলো:

এই মাসে বিয়েশাদি না করা।
নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণ না করা।
কোনো শুভ কাজ বা ভালো কাজের সূচনা না করা।
গোশত না খাওয়া ও নিরামিষ আহার করা।পান না খাওয়া, নতুন কাপড় ও সুন্দর পোশাক পরিধান না করা, সাদা কাপড় বা কালো কাপড় তথা শোকের পোশাক পরা।
সব ধরনের আনন্দ উৎসব পরিহার করা ইত্যাদি।এগুলে হচ্ছে কুসংস্কার। এইসব কখনোই ইসলাতী রীতিনীতি নয়।হুসাইনের (রা.) নামে শোকগাথার প্রচলন
আজ বিশ্বের শিয়াসহ সুন্নিদের কিছু অংশ আশুরার দিনে হুসাইন (রা.) কে নিয়ে শোক প্রকাশের যে পদ্ধতির প্রচলন হয়েছে, তা হুসেইন (রা.) শাহাদাতের তিনশ বছরেও ছিলো না। আমরা ইবনুল আসীর কর্তৃক রচিত ‘আল-কামেল ফিত তারীখ’ ৭/২৭৯, ইবনে কাসীর (রাহ.) কর্তৃক রচিত ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’ ‘১৫/২৬১ (৩৫২ হিজরীর ঘটনাবলি) ও হযরত মাওলানা হাবীবুর রহমান আযমী (রাহ.) কৃত ‘ইবতালে আযাদারী’ কিতাব থেকে জানতে পারি- আশুরা উপলক্ষে শিয়াদের এইসব তাযিয়া মিছিল, কান্নাকাটি, আহাজারি, ছুরি বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজেদের আঘাত করা ইত্যাদির সূচনা করেন “মুইযযুদ দাওলা দাইলামি” নামে একজন শিয়া।এই ব্যক্তি সর্বপ্রথম ৩৫২ হিঃ এইসব শোক তাযিয়া মিছিল করার হুকুম জারি করেন। যা পরবর্তীতে ৩৬৩ হিজরীতে আল-মুইযযু লিদীনিল্লাহি ফাতিমী (বেদিন কট্টর শিয়া) মিশরেও এই হুকুম জারি হয়।

সুতরাং এইসব শোক মিছিল কখনোই ইসলামের অংশ ছিলো না এবং নেই। যদি কেউ এইসব করে এবং সমর্থন করে তাহলে তার ইমান সন্দেহে পতিত হবে। আসুন পবিত্র মাস মহররমের দশ তারিখ আশুরার দিনকে আমরা ইবাদাত হিসেবে পালন করি। রোজা রাখি ইস্তেগফার তথা তওবা করি।

লেখকঃ মুফতি আশরাফুল ইসলাম,মোফাচ্ছেরে কোরআন খুলনা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Customized By BreakingNews