1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লোহাগড়ায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা কোম্পানীগঞ্জ জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপিত লোহাগড়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত নড়াইল জেলা ব্লাড ব্যাংকের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির ঘোষণা, সভাপতি কায়ছার ও সম্পাদক রকি বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলের মৃ+ত্যু ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে গাছের চারা রোপণ করলেন ওসি বিশ্বনাথে নিখোঁজের ৫ দিন পর তরুণীর ঝুলন্ত পঁচা লাশ উদ্ধার  বিশ্বনাথে ৩৫০ পিস ই য়া বা ও গাঁ/জা সহ আ/ট/ক -১ নড়াইলে সড়ক দু*র্ঘট*নায় নসিমনের চালক নি/হ/ত  লোহাগড়ায় মরহুম ওবায়দুল হক সবুজের মৃত্যুতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে এলেন চেয়ারম্যান, ৩ ইউনিয়নের জনগণের প্রশংসা লোহাগড়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্ধোধন বিশ্বনাথে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষ*তি*গ্রস্ত পরিবারকে প্রবাসীর ঢেউটিন প্রদান

সুনামগঞ্জে অসহায় মহিলার ভূমি দখলের চেষ্টা-হত্যার হুমকী, ডিআইজি বরাবরে অভিযোগ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২
  • ৪৩৭ Time View

রুহুল আমীন তালুকদার :
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সালেমা বেগম নামক এক নিরীহ অসহায় বিধবা মহিলার স্বত্ব দখলিয় ভূমি জবর দখলের চেষ্টা সহ তাকে ও তার পরিবার পরিজনকে প্রাণ নাশের হুমকীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।


এ ঘটনার বিষয়ে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের গোয়াইনগাঁও মাঝেরটেক গ্রামের মৃত গৌছ মিয়ার স্ত্রী সালেমা বেগম (৬৫) দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২/৩ জন সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গত ২৬ জুলাই মঙ্গলবার সিলেট রেঞ্জের ডেপুটি জেনারেল ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (ডিআইজি) বরাবরে প্রতিকার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বর্ণিত অভিযোগে উল্লেখিত অভিযুক্তরা হলো- একই উপজেলার মিনাজপুর রামপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে ১। আব্দুর রহিম (৫৩), আব্দুর রহিমের ছেলে ২। মিরাজ আলী (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালেমা বেগম বর্ণিত ভূমি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন উত্তর রামপুর মৌজার, সাবেক জেএল ১২, হাল জেএল নং ২৯, এসএ খতিয়ান- ৫৫, ১১১, বিএস ৩১১নং খতিয়ানের এসএ ১৫৬, ১৬০ ও বিএস ৩৩৪নং দাগে ০.৪৫ একর ভূমি জনৈক সুরুজ আলীর নিকট থেকে গত ১৩ আগস্ট ১৯৮৮ ইংরেজি সনে ৩৫০২নং রেজিস্ট্রারী দলিল মূলে ক্রয় সূত্রে মালিক তিনি। বিএস জরিপামলে তার কাগজপত্র সঠিক পেয়ে জরিপকারকগণ সালেমার নামে রেকর্ড ভুক্ত করেন।
বর্ণিত ভূমি সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরের সহকারী জজ আদালত কর্তৃক ১৪/২০১৫ইং নং স্বত্ব বাটোয়ারা মোকদ্দমা মূলে আলাদা ভাবে (চিহ্নিত) করাইয়া যথারীতি সরকারের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করছেন তিনি। বর্ণিত এই ভূমি ছাড়া সালেমা বেগমের আর কোন ভূমি নেই। এই ভূমিটুকু সালেমা ও তার পরিবার পরিবজনের জীবন-জীবিকার একমাত্র পথ অবলম্বন। তার সন্তানাদি সরল সোজা ও অবুঝ থাকায় তিনি তার পরিবার পরিজনের জীবন জীবিকার তাগিদে এই ভূমিতে বিভিন্ন জাতের শাক-সবজি ও ফসলাদি ফলাইয়া তা বাজারে বিক্রি করে কোন রকম বেঁচে আছেন।
সালেমার এই ভূমি উপর স্থানীয় ভূমিখেকো ও সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম, মিরাজ আলী লুলুপ সৃষ্টি হয়। এই ভূমিটুকু জবর দখল ও আত্মসাৎ করতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে তারা। সন্ত্রাসী ও ভূমি জবর দখলকারী আব্দুর রহিম ও মিরাজ আলীর বাড়ির ও তাদের জমির পাশে ভুক্তভোগী সালেমা বেগমের বর্ণিত ভূমি থাকায়, এই সুযোগে আত্মসাৎ ও জবর দখলের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে তারা।
গত ২৯ জুন ভুক্তভোগী সালেমা বেগম ও তার ছেলে হাফিজুর রহমান তাদের বর্ণিত ভূমিতে হালচাষ করতে যায়। এ সময় সন্ত্রাসী ও ভূমি জবর দখলকারী আব্দুর রহিম, মিরাজ আলী, অজ্ঞাত ২/৩ সহ মারাত্মক প্রাণনাশক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সালেমার স্বত্ব দখলীয় ভূমিতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে জবর দখলের কু-অভিপ্রায়ে তাদের ভূমির সাথে সালেমার ভূমি বেড়া দিয়ে জবর দখল ও হালচাষ করতে উদ্যত্ব হয়। সালেমা বেগম বাধা দিতে গেলে ভূমিখেকো সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ও তার দলবল উত্তেজিত হয়ে তাদের হাতে থাকা ধারালো দা, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে সালেমা ও তার ছেলে হাফিজুর রহমানকে মারপিট সহ খুন জখম করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করতে উদ্যত্ব হয়। এ সময় তাদের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ভূমি জবর দখলকারী সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ও তার দলবলের কবল থেকে পুত্রসহ সালেমাকে রক্ষা করেন। আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে না আসলে সালেমা ও তার ছেলেকে খুন জখম করে ফেলতো ভূমিখেকো আব্দুর রহিম। এমনটাই উল্লেখ করেছেন অভিযোগ পত্রে।
পরে ভূমি জবর দখলকারী আব্দুল রহিম ও তার দলবলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, আচার আচরণের ঘটনার বিষয়াদি সালেমা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অভিহত করেন। এলাকাবাসী সালিশ বিচারের মাধ্যমে ঘটনার বিষয়টি আপোষ মীমাংসার চেষ্টা করেন। আব্দুর রহিম ও তার দলবল এলাকার প্রভাবশালী সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক হওয়ায় সালিশ বিচার মানে না। এমনকি আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে তাদের খেয়াল খুশি মত চলাফেরা করে থাকে।
শুধু তাই নয় ভূমিখেকো সন্ত্রাসী আব্দুর রহিম ও তার দলবল প্রকাশ্য দিবালোকে হুমকী দিচ্ছে, সালেমা বেগমের স্বত্ব দখলীয় ভূমিতে ফসল ফলাইতে দিবে না। তাকে উচ্ছেদ করে জমির দখল তারা নিবে। তাতে বাঁধা দিলে তাকে হত্যা করে ফেলবে। তাদের এমন হুমকী ধামকীতে ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অসহায় বিধবা সালেমা বেগম ও তার বিধবা পুত্রবধূ সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভয়ে দুর্বিষহ অবস্থা দিনযাপন করছেন। নিরুপায় হয়ে প্রতিকার চেয়ে ডেপুটি জেনারেল ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (ডিআইজি) বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Customized By BreakingNews