কুরআনের পাখি আল্লামা সাঈদী কুরআনের কথা বলতেন। আপনাদের সামনে কুরআনের কথা বলতেন বিধায় ১৩ বৎসর বন্দি করে রেখেছিল যেন কুরআনের কথা তাঁর কন্ঠ থেকে না শুনতে পারেন। সফল হয়েছে? সফল হয় নাই। একটা সময় ছিলো তাঁর কুরআনের আওয়াজ শুনতেন বাসায় বসে, টেপ রেকর্ডারের মাধ্যমে কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে প্রত্যেকের বুক পকেটে আল্লামা সাঈদীর ওয়াজ চলে।
কুরআনের আওয়াজ বন্ধ হয়েছে? কুরআনের আওয়াজ কিয়ামত পর্যন্ত বন্ধ ও কুরআনের কোনো আয়াত কিয়ামত পর্যন্ত পরিবর্তন হবেনা। মহান আল্লাহতালা তিনি নিজেই প্রথমে বলেছেন, এই কিতাব নির্ভূল কিতাব। এই কিতাব কিয়ামত পর্যন্ত নির্ভূলই থাকবে। কুরআনের হেফাজত করবেন আল্লাহতালা তিনি নিজেই। আল্লামা সাঈদী কুরআনের দাওয়াত দিলেন দেশের প্রতিটি জনপদে, গোটা দেশে, দেশ ছেড়ে গোটি বিশ্বে। বিশ্বের ৫০টির বেশি রাষ্ট্রে এবং বাংলাদেশে ৫০টি বৎসর কুরআনের দাওয়াত দিয়েছেন। তাঁর কথা, তাঁর তাফসির ও তাঁর কন্ঠ শুনে হাজারের উপরে মানুষ হাতে হাত রেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। আল্লামা সাঈদী কুরআনের দাওয়াত দেবার অপরাধে বাম রাম লোকেরা সহ্য করতে না পেরে তাকে জেলের মধ্যে বন্দি করে রাখে। কুরআনের অনুসরণ ছাড়া আমাদের মুক্তি সম্ভব নয়। আর এই কুরআনকে মহান আল্লাহতালা রহমত, বরকতের মাস রমজানে নাজিল করেছেন। রমজান মাস হচ্ছে গুনাহ মাপের মাস। সামনে এই রমজান মাস আসছে।
এই কুরআনের পক্ষে এবং কাছে যিনি থাকেন, তিনি সম্মানি, মর্যাদাবান এবং আখেরাতেও নাজাত পান।
হাজার চেষ্টা করে জালিম থেকে মুক্তি পাচ্ছিলাম না,
হাজার হাজার মানুষের জীবন গেল, মুক্তি পাওয়া যাচ্ছিল না।
সারাদেশ থেকে দাওয়াত করে লগি বৈঠটা দিয়ে দিনে দুপুরে ১১জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এটা হুকুম দিয়েছিলেন সুন্দরী। এই হত্যার জন্য সুন্দরীকে ট্রাইব্রনালে যেতে হবে এবং তার বিচার হবে।
বাংলাদেশ আলেম ওলামাদের দেশ। বাংলাদেশ নাস্তিকদের দেশ নয়। সিলেট শাহজালাল, শাহ মাখদুমের দেশ। সিলেট আল্লামা সাঈদীর দেশ।
সময় আসবে যারা অতীতে খুন, ধর্ষন ও মা বোনদেরকে নির্যাতন করেছে তাদের প্রত্যেক অপরাধীদের এবং জঙ্গিদের বিচার হবে।
কুরআনের পক্ষে থাকুন, কুরআনের বিপক্ষে থাকলে মান সম্মান কিছু থাকেনা। কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করুন তাহলে আপনি ও আপনার পরিবার আখেরাতে নাজাত পাবেন।
কথা গুলো আল্লামা সাঈদীর সুযোগ্য সন্তান শামীম সাঈদী সিলেটের বিশ্বনাথের টেংরা তাফসিরুল কুরআন পরিষদ কর্তৃক ২১তম তাফসির মাহফিলে ১৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার রাত্রে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো তিনি ব্যক্ত করেন।
তাফসির মাহফিলটি টেংরা শাহী ঈদগা সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত বিশাল মাহফিলে তাফসিরুল কুরআন পরিষদের সভাপতি আল জাহানের সভাপতিত্বে এবং পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ খাঁন, মুহিন খাঁন, আশফাকুর রহমান ও ফেরদৌসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান আলোচকের আলোচনায়, বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ ডাঃ হুমাইয়ূন কবীর বলেন,
বিশ্বের মানবতার একমাত্র হেদায়তের কিতাব হচ্ছে আল কুরআন। এই কুরআন মানুষের মুক্তির পথ দেখায়। কুরআন মানবাধিকারের এক মাত্র কিতাব। এটি হলো বিশ্ব মানবতার সংবিধান। এই সংবিধানে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ দেশ ও বিশ্ব গঠনে কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই মুক্তি পাওয়া যাবে। কুরআন ছাড়া শান্তির আশা দুরাশায় পরিনত হবে।
তাফসির মাহফিলে আরো তাফসির পেশ করেন, ইসলামিক চিন্তাবিদ মাওলানা সিফাত হাসান,
টেংরা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোবাশ্বির আহমদ বেলালী, হাফেজ সৈয়দ মুন্না।
তাফসির মাহফিলে বেলা ১টা থেকে মাগরিব পর্যন্ত কেরাত, গজল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ ও বক্তব্য রাখেন, জামায়াত ইসলামি থেকে সিলেট ২নং সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য পদপ্রার্থী ও সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।