বিশ্বনাথ সিলেট প্রতিনিধি:
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাওনপুর গ্রামের সোহেল আহমেদ (৪৫) নামের এক ব্যাক্তিকে তিন মাসের জেল দিয়েছেন বিশ্বনাথ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) লুৎফর রহমান। সোহেল আহমেদ বাওনপুর গ্রামের মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে।
বুধবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর ) সোহেল আহমেদের বিরুদ্ধে এই আদেশ জারি করার করাণ হিসেবে জানা গেছে, পিতার উত্তরাধীকার সম্মত্তি নিজের নামে নামজারী করতে গিয়ে তিনি তথ্য গোপন করেন। সোহেল আহমেদ বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন থেকে একটি উত্তরাধীকারী সনদ গ্রহন করেন, এই সনদে এক বোনের পরিচয় গোপন করেন তিনি। ওয়ারিশ হিসেবে স্বেচ্ছায় এক বোনের তথ্য গোপনপূর্বক নিজের নামে নামজারি করার জন্য আবেদন করেন। অসত্য তথ্য প্রদান করে সরকারি কর্মচারীর কার্যসম্পাদনে বিঘ্ন সৃষ্টি করার এই অপরাধে বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুসারে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারদণ্ড ও ১০০শত টাকা অর্থদণ্ড দেন এসিল্যান্ড।
বিশ্বনাথ সদর ইউয়নের চেয়ারম্যান হাজী দয়াল উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানা, আমার কাছে সার্টিফিকেট নিতে এলে সোহেল আহমেদ আমার পূর্বের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক এর দেওয়া একটি উত্তরাধীকার সনদ দেখান। এবং আগের সনদ অনুযায়ী দিতে বলেন। আমি সেই সার্টিফিকেট অনুযায়ী পুনরায় সার্টিফিকেট দিয়েছি। এছাড়া স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আগে স্বাক্ষর দিয়েছেন। আমি প্রতিস্বাক্ষর দিয়েছি।
স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার ফজর আলী জানান আমি কোনো ভূল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করি নাই, তিনি হয়তো জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সাজা ভোগ করছেন। আমার জানা মতে তারা ২ ভাই এবং ২ বোন রয়েছেন। উত্তরাধীকারী সনদে তাদের সবার নাম দেখে আমি স্বাক্ষর দিয়েছি।
বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।