নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে সন্ত্রাসী, ভূমি দূস্যু ও সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল মোহাম্মদ উল্লাহ্ কতৃক জবর দখলের উদ্দেশ্যে,বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট, ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নড়াইল পৌরসভার ধোপাখোলা গ্রামের হাজী আঃ মান্নানের স্ত্রী মোছাঃ নাছিমা বেগম ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাছিমা বেগম বলেন, আমি নড়াইল পৌরসভার উজিরপুর মৌজার ৭৭৩ নং এস এ খাতিয়ানের ১১৫৯,১১৫৭ নং দাগের এস এ রের্কডীয় মালিকের কাছ থেকে ৩৫শতক জমি ২০১০ সালে ক্রয় করে ২২৯৪ নামজারি খতিয়ানে আমার নিজের নামে নামপত্তন করে খাজনা পরিশোধ করে আসছি এবং বসত বাড়ি করে বসবাস করে আসিতেছি।আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত কারনে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকাতে চিকিৎসাধীন আছেন। মোঃ মোহাম্মাদউল্লাহ্ (৩৮) পিতা ইউছুফ মোল্যা সাং-ভওয়াখালী, থানা ও জেলা-নড়াইল একজন চিহ্নিত ভূমি দূস্যু এবং সেটেলমেন্ট অফিসের দালালী তার পেশা। সেটেলমেন্ট অফিসের দূনীতিবাজ কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস্যে আমার বসতভিটার আর এস রেকর্ড করে।

আমি এ বিষয়ে জানতে পেরে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে(এল,এস,টি) মামলা দায়ের করেছি। এই কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে মোঃ মোহাম্মাদ উল্লাহ সহ অজ্ঞতনামা ০৮/০৯ লোক বিগত-১৬/১২/২৩ তারিখ ভোর ০৫.০০ ঘটিকার সময় আমার বাড়িতে আসিয়া জবর দখলের উদ্দেশ্যে, বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট, ও প্রাণনাশের হুমকির দেয়। আমি একজন অসহায় মহিলা।একদিকে আমার স্বামীর চিকিৎসা নিয়ে দূঃচিন্তাসহ আর্থিক সংকটে আছি অন্যদিকে সন্ত্রাসী, ভূমি দূস্যু ও সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল মোহাম্মদ উল্লাহ্ আমার বসবাসের ঘরের ছাদ,জানালা,দরজা আসবাবপত্র ভেঙ্গে নিয়ে গেছে।ফলে আমি উদ্বাস্তু হয়ে পড়েছি। আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ন্যায় বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এ সময় নাছিমা বেগম অভিযোগ করেন, আমি সন্ত্রাসী,ভূমি দূস্যু ও সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল মোহাম্মদ উল্লাহ্ অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। ইতিমধ্যে অনেকেই আমাকে বলছে জালিয়াত চক্রের হোতা সন্ত্রাসী,ভূমি দূস্যু ও সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল মোহাম্মদ উল্লাহ্।সেটেলমেন্ট অফিসের দূনীতিবাজ কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস্যে সরকারি জমিসহ আমার মতো অনেক অসহায় মানুষের জমি আর এস রেকর্ড করে নিয়েছে। অভিযুক্ত মোহাম্মদ উল্লাহ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি। মোবাইল ফোনে বলেন, ওই ১৫ শতক জমি কেনার পর আমি রতডাঙ্গা এলাকায় একব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। তারা দখল বুঝে নেয়ার জন্য বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়েছে।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।