পৌষ এলো শীত নিয়েহিম হিম ঠান্ডা,নেই কাঁথা কম্বলথরথর কাঁপে গা। সূর্যটা দিনে থাকেতাপহীন আধাঁরে,রাতটা ঢেকে যায়কুয়াশার চাদরে। ঝরা পাতায় গাছগুলিদাঁড়িয়ে আকাশে,নিশ্বাস ছাড়ে সদাকষ্ট
জহুরুল হক মিলু, লোহাগড়া(নড়াইল) প্রতিনিধিঃ নড়াইলে দুই দিনব্যাপি সাহিত্য মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মেলা উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর হতে একটি আনন্দ র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা
মুহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া বুক থেকে কখনো, কখনো বুক পকেট থেকেতোমাকে ছুঁড়ে ফেলি নিরালা নির্জনে।যাকে দেখতাম ষোঢ়শীর শাড়ীর ভাঁজে,কখনো দেখতাম তুলতুলে আদুরীর অবয়বে।দেখতাম কখনো খরতাপে ঝলসানো চামড়ায়,আবার দেখতাম লেপ্টে আছো লেবুর পাতায়।কতো দেখেছি চার চাকায় পিষ্ট
সমুজ আহমদ সায়মনঃবাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার (২০২২-২৩) কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ মো: আশরাফুল ইসলাম সভাপতি এবং বাংলা
মোহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া( গদ্য কাব্য) জ্যৈষ্ঠের খরতাপের মৃত্যু হয় তখন,যখন আমার মন আনন্দের গান গায়।হেলাল হাফিজের পুংক্তি গায়,অথবা আল মাহমুদের কাব্যস্তুতি। অমাবস্যাহীন চাঁদ খেলে আকাশে তখন,যখন আমি শাপলা কিংবা রজনীর ঘ্রাণ শুকি,অথবা জলবালিকার খোপায় গুজে
(গদ্যকাব্য রচনায়ঃ মুহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া) ১৬/৫/২০২১ ইং মোড়লের কাছে আমার নিবেদন,আমি তোমার পা চেটে দেবো, তুমি নোবেলটা আমাকে দিও। কিংবা পা-চাটা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার দিতে পারো !আমি শতটা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়বো, মানুষের উপর দানব হবো,
মিজানুর রহমান মিজান দুনিয়া ধ্বংস হবে একদিন কিছুই রবে না হবে সব বিলীন।। পাষন্ড এজিদ ও সীমার ক্ষমতার লোভ ছিল পাবার হোসেন(র:)কে শহিদ করে ফোরাতের পার রইল নাতো সে ও আর অস্থিত্ব মলিন।। বিশ্ব জয়ের
কবি মিজানুর রহমান মিজান * লজ্জা শরমের খেয়ে মাথা অসুরে সুর তোলে যথাতথা মানে না সমাজ, নীতি, নৈতিকতা।। মানব নামের এ পশুরা সমাজ ভাঙ্গে বহায় ধারা স্বার্থহীনতায় নীতি ধরে ওরা জয়-পরাজয় ঘোলাটে সত্য মিথ্যা।। জি
মিজানুর রহমান মিজান তুমিতো সবার মালিক নাম রেখেছ প্রচারে খালিক তবে কেন রেখেছ দিক-বিদিক যতই হোক আশায় আছি আশ্রয় তলে।। দেখাচ্ছে গায়ের জোর,সাথে আছে অহংকার ডোর, হামবড়া ভাব প্রচুর, সকলই গভীর অতলে।। তিন মিথ্যুক এক
কৃষি নির্ভরশীল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ছিল।কৃষি ও কৃষক বাংলার প্রাণ। একে অপরের পরিপূরক।অন্য কথায় একটি আরেকটির সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত।‘বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার কিংবা বর্তমান সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার সম্বন্ধে ঐতিহাসিক তথ্য অবগত হবার আগে সংস্কৃতি এবং সাংস্কৃতিক