1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কামরুল ইসলাম বাদশাহ খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী “ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি ” কর্মসূচি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় বিএনপির প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে অবৈ/ধভাবে গরুর মাংস বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে জরি/মানা সমাজসেবায় জনপ্রিয় সংগঠন বিশ্বনাথের সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপ লোহাগড়ায় হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগীদের অংশগ্রহণে রথযাত্রা উৎসব পালন লোহাগড়ায় জুলাই শহি/দ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে আগাম বন্যা ও দু/র্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা দু/র্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে দুর্নী/তি প্রতি/রো/ধ কমিটির পরিচিতি সভা শ্বাসনালীতে দুধ আটকে শিশুর মৃ/ত্যু লোহাগড়ায় সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
শিরোনাম
কামরুল ইসলাম বাদশাহ খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী “ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি ” কর্মসূচি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় বিএনপির প্রস্তুতিমুলক সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে অবৈ/ধভাবে গরুর মাংস বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে জরি/মানা সমাজসেবায় জনপ্রিয় সংগঠন বিশ্বনাথের সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপ লোহাগড়ায় হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগীদের অংশগ্রহণে রথযাত্রা উৎসব পালন লোহাগড়ায় জুলাই শহি/দ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে আগাম বন্যা ও দু/র্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা দু/র্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে দুর্নী/তি প্রতি/রো/ধ কমিটির পরিচিতি সভা শ্বাসনালীতে দুধ আটকে শিশুর মৃ/ত্যু লোহাগড়ায় সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে কৃষকদের মাঝে গাছের চারা, সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ শিবপুরের তরুণ মো. রোকনুজ্জামান খান–ফেসবুক সংক্রান্ত সেবায় আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছেন লোহাগড়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে গাছের চারা বিতরণ ও ফলজ বাগান উদ্ধোধন লোহাগড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ

সমাজসেবায় জনপ্রিয় সংগঠন বিশ্বনাথের সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপ

  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ Time View


পরিচালক প্রবাসী আজিজুর রহমানের ভোর আসে সেবার হাত বাড়িয়ে।

মোঃ সায়েস্তা মিয়া,

ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, আর ইচ্ছে যদি হয় সৎ ও নেক উদ্দেশ্যে তাহলে সফলতার জয়গান কেউ থামিয়ে রাখতে পারে না। আল্লাহকে খুশি আর পরকালীন শান্তির জন্য স্বদিচ্ছা যার অন্তরে তার কৈতন বাতাসে ওড়াবে। তাকওয়াপূর্ণ হৃদয়ে স্রষ্টাকে খুশি করার নিয়তে দুনিয়ায় কোনো কাজ করলে স্রষ্টা ইহকাল -পরকালে সেই কাজের উত্তম বিনিময় দিয়ে তার বান্দাকে পুরস্কৃত করেন। আর বান্দাহ যদি স্রষ্টার অনুগ্রহ পেয়ে যায়, সম্মানিত হয়ে যায় তাহলে সে নিশ্চয়ই সৌভাগ্যবান। তবে স্রষ্টাকে খুশি করার ক্ষেত্রে বান্দাহর আনুগত্য প্রকাশ থাকতে হবে নিখুঁত, নিঃস্বার্থ ও নিবৃত্তে। লোক দেখানো কোনো কাজ দিয়ে নিজের মঙ্গল আশা করা অবান্তর। প্রকাশ্যে বা অন্তরালে করা সকল কাজই স্রষ্টা দেখেন। খোদার সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় কোনো কাজ করার ইচ্ছা ও নিয়ত করলে খোদা সেটি কবুল করে নেন, পাশাপাশি তার কাজ সম্পন্ন করার তাওফিক ও বারাকা দান করেন। ভাল কাজ করার ইচ্ছা ও নিয়ত এই সমাজের সকল মানুষের থাকে না। সবার যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশা ও আকাঙ্খা থাকতো তাহলে সমাজে ঘটে যাওয়া সকল অনিয়মের দরজা বন্ধ হয়ে বইতো শান্তির সুবাতাস। “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে এভাবে পরিচালিত করেন, সে যেমনটা ইচ্ছা পোষণ করে “।

প্রতিদিন সূর্যোদয়ের পরে অনন্ত একটি ভাল কাজ দিয়ে যার দিনের শুরু হয়, এবং তিনি যদি ওইরকম নিয়ত বাস্তবায়ন করেন প্রতিদিন, তাহলে নিশ্চয়ই তিনি মহৎ এবং পরোপকারী। পরোপকারী মানুষ এই সমাজের জন্য আশীর্বাদ। সমাজের আশীর্বাদ যিনি অর্জন করেন তিনি সত্যি কি সমাজের মসৃন পথে হেটে তা অর্জন করতে পারেন ? মোটেই না! নানান ঝক্কি ঝামেলা, হানাহানি, মারামারি, দুর্নীতি ও নেশায় বিপর্যস্ত এই সমাজের জন্য ভালো কিছু করাটাও বর্তমান সময়ে প্রতিকূল এবং চ্যালেঞ্জের বিষয়। প্রতিকূল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যিনি সমাজ থেকে দুর্গন্ধ দূরীভূত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেন তিনি আসলেই পরশপাথর। অকৃপণ সমাজ এসকল পরশপাথরের কদর করে না। ফলশ্রুতিতে এই সমাজ থেকে দুর হচ্ছে না অন্যায় অনিয়ম ও অশ্লীলতা। বাড়ছে না পরশপাথরের সংখ্যাও।

সমাজের উপকার যারা করে তাদের পেছনে একদল মানুষরূপী হায়েনা লেগেই থাকে। সমাজের ভালো হোক তারা চায় না। পঁচা দুর্গন্ধে বসবাস করা তাদের নিয়তি বলা যায়।

পাড়াপ্রতিবেশি থেকে শুরু করে সমাজের দুঃস্থ, অসহায়,অস্বচ্ছল ও শিক্ষা দীক্ষায় পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্যবদলে যারা নিঃস্বার্থ শ্রম, শক্তি এবং অর্থ ব্যয় করেন তাদেরকে নেহাত সমর্থন করা নয় বরং তাদেরকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও পাশে থেকে সহায়তা করা প্রত্যেক ভালো মানুষের কর্তব্য বলে বিবেচ্য।
মানুষের মৌলিক চাহিদা, অন্ন,বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার অপুরণতা মেটাতে সহায়তাকারী কে তিরস্কার না করে পুরস্কৃত করার প্রবনতা বাড়াতে না পারলে সমাজ আলোকিত হবে না।
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়া মাদক ও নেশার ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রতিকার নিয়ে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করেন তাদেরকে সমর্থন না করলে তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমাদেরই সমাজ দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়বে।

শিক্ষার বিস্তার ও মেধার মূল্যায়ন না থাকলে জাতির অগ্রগতি অসম্ভব। দেশের উন্নয়নে জাতীকে শিক্ষার উৎকর্ষ আসনে বসাতে হলে নৈতিক ও বাস্তব জ্ঞান সম্পন্ন শিক্ষার বিকল্প নেই। মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় ও ব্যাক্তি উদ্যোগে সময়মত সহায়তা ও সহযোগিতা করা ভবিষ্যতের জন্য আশীর্বাদ হবে তা বলার অবকাশ রাখে না।

দেশের চিকিৎসা খাতে অবহেলা, দুরারোগ্য ব্যাধির ব্যাপ্তী, অর্থনৈতিক অভাবের এক মহামারী আকার দৃশ্যমান রয়েছে। দেশ সর্বোপরি ক্যান্সারে সয়লাব। দিনদিন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ ও প্রতিকারের জোরালো ভুমিকা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া ছাড়া সুখকর ও স্বস্তির কোনো দ্বার উন্মোচিত নয়। রোগবালাই থেকে বাঁচার উপায় শুধু সচেতনতা নয় বরং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রয়োজন। সীমিত সম্পদের ব্যবহার ও দূর্ণীতিমুক্ত চিকিৎসা খাত গড়তে না পারলে ভবিষ্যতে মুক্তির আশা করা যায়। গ্রামীণ অনুন্নত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সরকারি সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে কিন্তু কর্মকর্তাদের সেবার মানসিকতা উন্নত না হলে সুফল বইবে না। দারিদ্র্য রোগীদের দুরারোগ্য চিকিৎসায় সমাজহিতৈষী মানুষের সাহায্যের চিত্র এখন আনন্দের। বিত্তশালী প্রবাসী ও দেশীদের অর্থায়নে নিশ্চিত হচ্ছে তাদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন চিকিৎসা সহয়তা প্রদানে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় দানশীল মানুষের হাত প্রসারিতদের সংখ্যা বৃদ্ধি আশার প্রদীপ জ্বালাচ্ছে। দুঃস্থ রোগীর কল্যাণে যারা কাজ করছেন তাদের অসহযোগিতা করা সুখকর নয় বরং তাদেরকে মুক্ত পরিসরে কাজ করার পরিবেশ তৈরিতে আপনি আমি যেন একীভূত হই।

ভুমিকা এত লম্বা কেন? এত কথা বলার উদ্দেশ্য কি? তার উত্তর লুকিয়ে আছে ভুমিকায়। এই লেখনির শিরোনামে একটি সমাজসেবী সংগঠন ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ব্যাক্তির নামের গুণের প্রকাশ রয়েছে। এই ব্যক্তির কর্মচিন্তা, সমাজ নিয়ে ভাবনা আপনি / আমার জন্য অবশ্যই অনুপ্রেরণার ও অনুকরণীয়। শুধু ব্যক্তির নয় বরং গোটা সমাজ বদলে দিতে পারে তাঁর চিন্তা ও কর্মের সাথে আপনি একমত হলে। তিনি আপাদমস্তক একজন সমাজসেবক ও মানবাধিকার কর্মী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী হলেও তিনি এখন যুক্তরাজ্য বসবাস করেন। বর্তমানে বৃটেনের নাগরিক তিনি। তিনি সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার ১ নং লামাকাজী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক ও অর্থনৈতিক উৎকর্ষ সাধনে তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান অনেক আগেই। প্রবাসী জীবনে অর্থনৈতিক সফলতা পেয়েছেন তিনি। নিকটাত্মীয় ও পরিবার পরিজনের ভরণপোষণের দায়িত্ব সামলিয়ে মনোনিবেশ করেছেন এখন সমাজের দুঃস্থ অসহায় অস্বচ্ছল মানুষের পাশে। অত্যান্ত খোদাভীরু পরোপকারী ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে তাঁর সুনাম বইছে লোকমুখে। একটি চ্যারিটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে ২০২০ সাল থেকে স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকার মানুষের সেবায় দিনরাত করছেন পরিশ্রম।সমাজে বসবাসরত মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে তিনি একপ্রকার সংগ্রাম করছেন। নিভৃতে সংগ্রামের শুরুটা অনেক আগে হলেও প্রকাশ্যে এসেছেন অর্ধযুগ ধরে। মানুষের মৌলিক চাহিদার প্রধান সমস্যা শিক্ষা, চিকিৎসা, অন্ন, বস্ত্র বাসস্থানের অপূর্ণতা। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে “সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপ ” নামের সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিদিন উপহার উপঢৌকন, সাহায্য, সহায়তা প্রদান করছেন সমাজসেবক আলহাজ্ব আজিজুর রহমান। একটি অঞ্চলের মানুষের ছোট বড় অভাব অভিযোগে সোনারপুর চ্যারিটি গ্রুপ এবং এর পরিচালক আলহাজ্ব আজিজুর রহমানের নাম এখন অনেকের কাছে ভালবাসার, আশ্রয়ের এবং ভরসার বটে। সম্পূর্ণ প্রবাসীদের অর্থায়নে পরিচালিত এই সংগঠন কাজ করছে একটি ইউনিয়নের ৬৫ টি গ্রাম নিয়ে। অস্বচ্ছলতা দূরীকরণ, চিকিৎসা ব্যয়ের যোগান, মেধার বিকাশ ও শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন, নিরাপদ পানির সংস্থাপন, গৃহহীনদের আশ্রয়ে ঘরের সংকট দূর করা, কর্মসংস্থান তৈরি, মাদক মুক্ত সমাজ গঠনের অঙ্গীকারে একটি মডেল এলাকা বা ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করা তাদের স্বপ্ন। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপ। স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে মানুষের সহযোগিতায় সংগঠনের হয়ে কাজ করছেন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী। সোনাপুর চ্যারিটি গ্রুপের কার্যক্রম ইতোমধ্যে এলাকাজুড়ে আলোড়ন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। আরো অনেক ব্যাক্তি ও সংগঠন উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের সেবায় এগিয়ে আসছেন।

একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী মিলে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিদিন কোনো না কোনো সেবা পৌঁছে দেন সেবাপ্রার্থীদের দুয়ারে। ইউনিয়ন ব্যাপী শিক্ষার উন্নয়নে ও মেধার উৎকর্ষ সাধনে প্রতিবছর কয়েক লক্ষ টাকার শিক্ষা উপকরণ ও গাইড বই, স্কুল ড্রেস, খাতা কলম বিতরণ করেন তাঁরা। গৃহহীন ও অস্বচ্ছল মানুষের ঘর বানিয়ে দেয়ায় ব্যয় হচ্ছে আরো লক্ষ লক্ষ টাকা। গ্রামীণ উন্নয়নে রাস্তা ঘাট নির্মাণ, নিরাপদ পানির উৎসে গভীর নলকূপ স্থাপন, জটিল ও দুরারোগ্য ক্যান্সার আক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা সহয়তা প্রদান, কর্মসংস্থান তৈরি করে দেওয়া, কুরবানির ঈদে মাংস বিতরণ ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান ও সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রশংসনীয় কাজগুলো ইতিমধ্যে গণমানুষের হৃদয় জয় করছে।

এককথায় সংগঠনের পরিচালক আলহাজ্ব আজিজুর রহমানের প্রতিটি ভোর আসে সেবার হাত বাড়িয়ে, কাউকে না কাউকে উপহার প্রদানের মাধ্যমে। তার ভাষ্যমতে: তিনি মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে আনন্দ পান। পাশাপাশি মানুষের ভালোবাসা অর্জন, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন শাস্তির আশায় আজীবন অব্যাহত রাখতে চান সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডগুলো। প্রবাসে বসবাস করেও জন্মভূমির মানুষের জন্য এমন কাজগুলো বাস্তবায়ন করতে সহযোগী হিসেবে পাশে রেখেছেন তিনির নিকটাত্মীয়, পরিচিতজন ও ইউনিয়নের শত-শত স্বেচ্ছাসেবী। এ বছর কয়েক লক্ষ টাকায় নিজ গ্রামের একাধিক অস্বচ্ছল পরিবারের জন্য নির্মাণ করে দিচ্ছেন পাকা-আধা পাকা ঘর। শুরু করেছেন নিজ গ্রাম ও এলাকা থেকে। স্বপ্ন দেখছেন তার এমন ক্ষুদ্র প্রয়াসে অনুন্নত এলাকার চিত্র পাল্টাবে। তাঁর মত অন্যান্য অর্থ ও বিত্তশালীরা এগিয়ে এলে বদলে যাবে পুরো সমাজ ও দেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Theme Customized By BreakingNews