নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ধনারচর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে মারধর, ঘরে আটকে রাখা এবং বসতঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে পলাশ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী হাবিল হোসেন (৪০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধনারচর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে হাবিল হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। অভিযোগে চরনগরদী গ্রামের রিপন মিয়ার স্ত্রী ছাবিয়া বেগম (৪৫), তার ছেলে মোহন (২৫), ধনারচর গ্রামের হাসেন মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম (৪১) এবং বদু মিয়ার ছেলে রমজান আলীকে (২৫) অভিযুক্ত করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক বছর আগে কৌশলে তার অজান্তে বাড়ির জমি লিখে নেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে জমি ফেরত চাইলে অভিযুক্তদের সঙ্গে বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে হাবিল হোসেনের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আহত হন। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক ঘরের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় অভিযুক্তরা বসতবাড়ির দুটি টিনের ঘর ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।
পরে কৌশলে ঘর থেকে বের হয়ে হাবিল হোসেন ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহত হাবিল হোসেন পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণের পর পলাশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে পলাশ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা বলেন, আমার ভাই আমাদের বোনদের সম্পত্তি দিচ্ছে না।
আমরা বোনেরা সম্পত্তি পাওনা কিন্তু সে দিচ্ছে না।
তার বউ আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।