সাজ্জাদুর রহমান, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

বাবা রিক্সা চালক হওয়ায় মেয়েটিকে তালাক দেয় তার স্বামী। এখন সেই মেয়েটি মেডিকেলে ভর্তির চান্স পেয়েছে। ভর্তির অপেক্ষায় আছে। কিন্তু পড়াশুনোর খরচ কে বহন করবে? এমন দ্বিধাদ্বন্দ ও অপার সম্ভবনাময় খবরটি বিগত কয়েকদিনে বেশ কিছু সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়লে নজরে আসে জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু ও জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন মহোদয়ের। দুই জন সংসদ সদস্য তাঁদের প্রতিনিধি গণের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সুমির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন এবং প্রতিনিধি প্রেরণের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান।
এদিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ভিডিও কলে সুমির সঙ্গে কথা বলেন সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু মহোদয়। এসময় তিনি সুমির লেখা পড়ার সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর তরফ থেকে সুমিকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রাজা চৌধুরী, দোগাছী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামসুল আলম সুমন এবং জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হোসেন হিমু।
অপরদিকে জয়পুরহাট ২ আসনের সংসদ সদস্য এবং হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (এমপি) মহোদয়ের পক্ষে সুমিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মাসুদ রেজা। পরে তার পিতা মাতার হাতে লেখা পড়ার জন্য নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি মহোদয় সুমির লেখা পড়ার খরচ বহনের আশা ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে ভাইরাল হওয়া পোস্টটি নজরে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন শিক্ষা বিভাগের প্রফেসর ড. রিয়াজুল হকের। তিনি সুমিকে সহযোগিতা করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সুউচ্চ পথে এগিয়ে যাক সুমির মতো মেয়েরা। তার জন্য আমাদের অফুরান শুভেচ্ছা। পুরুষশাসিত সমাজে আর কোনো সুমি যেন পারিবারিক অসহায়ত্বের কারনে বঞ্চনা ও অবহেলার স্বীকার হয়ে পিছিয়ে না থাকে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে সবাই এক হয়ে কাজ করি। তবেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজ তরান্বিত হবে।
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।