1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
রাজারহাটে পানিবন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার পানি:দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ লোহাগড়া ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রামে র‍্যাবের মহাপরিচালকের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ বন্যায় বিশ্বনাথে ৮১ কোটি টাকার ক্ষতি  কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ লোহাগড়ায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্ধোধন রৌমারীতে ৪৮বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার-১ ফুলবাড়ীতে দুই কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার নওগাঁয় ৩ মাস ধরে গৃহবন্ধী অসহায় এনতাজ আলীর পরিবার, চলাচল করেন পুকুরে সাঁতার কেটে লোহাগড়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ী ইউনিয়নে পানি বন্দি একশত পরিবারের মাঝে চাউল বিতরন বৈরাগী বাজারে জমজমাট নৌকার হাট: বন্যা এলে নৌকার কদর বাড়ে ভারতের উত্তর প্রদেশে ১ দিনে বজ্রপাতে মৃত-৩৮ ফুলবাড়ীতে অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশ্নপত্র দিয়ে ষাণ্মাষিক সামষ্টিক মূল্যায়ণ পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ

নড়াইলে মেম্বার সুজন গাইনের বিরুদ্ধে মন্দির সংস্কারের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৯২ Time View

মির্জা মাহামুদ হোসেন রন্টু,নড়াইল: নড়াইল সদর উপজেলার ১৩ নং মুলিয়া ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা পাগল চাঁদ নাট মন্দির সংস্কারের জন্য বরাদ্দ কৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মুলিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার সুজন গাইনের বিরুদ্ধে।

সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, হিজলডাঙ্গা পাগল চাঁদ নাট মন্দির সংস্কারের জন্য নড়াইল জেলা পরিষদ বরাবর বরাদ্দ চেয়ে একটি আবেদন করা হয়। আবেদনটি করেন মুলিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার সুজন গাইন। পরে ওই মন্দিরের নামে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদ ১,০০০০০ টাকা বরাদ্দ দেয়।
বরাদ্দ কৃত অর্থ দিয়ে মন্দির সংস্কারের কথা বলে ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুজন গাইন তা আত্মসাত করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সুজন গাঙ্গলী, রিন্টু মহলদার,বিমান রায় জানান আমরা এলাকা বাসী চাঁদা তুলে মন্দির সংস্কার করেছি বরাদ্দের কোন টাকা আমরা পাইনি। মেম্বার সুজন গাইন টাকা তুলে নিলেও গত এক বছরে মন্দিরের কোন কাজ করেন নাই । এব্যাপারে ওয়ার্ড মেম্বার সুজন গাইনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মন্দিরে আমি ষাট হাজার টাকা দিয়েছি বাকি চল্লিশ হাজার টাকা আমি খরচ করেছি।
মুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ অধিকারী জানান, এ বিষ‌য়ে আমি অবগত নই।তবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ যদি কেউ আত্মসাত করে তবে সেটা জঘন্য তম অপরাধ।
এলাকাবাসী বিষয়টি তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের কাছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews