1. admin@asianexpress24.com : admin :
  2. asianexpress2420@gmail.com : shaista Miah : shaista Miah
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম
রাজারহাটে পানিবন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার পানি:দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ লোহাগড়া ভূমি অফিস ও ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রামে র‍্যাবের মহাপরিচালকের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ বন্যায় বিশ্বনাথে ৮১ কোটি টাকার ক্ষতি  কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ লোহাগড়ায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্ধোধন রৌমারীতে ৪৮বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার-১ ফুলবাড়ীতে দুই কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার নওগাঁয় ৩ মাস ধরে গৃহবন্ধী অসহায় এনতাজ আলীর পরিবার, চলাচল করেন পুকুরে সাঁতার কেটে লোহাগড়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ী ইউনিয়নে পানি বন্দি একশত পরিবারের মাঝে চাউল বিতরন বৈরাগী বাজারে জমজমাট নৌকার হাট: বন্যা এলে নৌকার কদর বাড়ে ভারতের উত্তর প্রদেশে ১ দিনে বজ্রপাতে মৃত-৩৮ ফুলবাড়ীতে অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশ্নপত্র দিয়ে ষাণ্মাষিক সামষ্টিক মূল্যায়ণ পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ

ঝালকাঠিতে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে ৩০ বছর সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করার অভিযোগ

  • Update Time : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪২৬ Time View

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ লাভের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্তে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে চারসদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মঈনুল ইসলাম। গত ২ ফেব্রুয়ারি এ কমিটি গঠন করা হলেও গত তিন তিন সপ্তাহে কাজ শুরু করেনি তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি কাজ শুরু না করার সুযোগে নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতারনার মাধ্যমে নিয়োগ হাসিলকারা কথিত সহকারী শিক্ষক সুরাইয়া আক্তার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা হিসাবরক্ষন অফিসের কিছু লোকজনকে ম্যানেজ করে সার্ভিসবুক হালনাগাদ এবং ইএফটির কাজ শেষ করার তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছেন। নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রকৃত শিক্ষক কনক সরকার কর্তৃক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে দাখিলকৃত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিতি নেহালপুর রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কনক সরকার নামে একজন নারী ১৯৮২ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। এর আগে শ্যাম লাল মজুমদার ও আব্দুর রউফ তালুকদার নামে দুজন শিক্ষক নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৯৫ সালে স্কুলটি সরকারি রেজিস্টার স্কুল হিসেবে অনুমোদন লাভ করলে উপজেলা প্রকৌশল অফিস থেকে স্কুলটি মেরামতের জন্য চারলাখ টাকা বরাদ্দ করে। নানা কুট কৌশলের আশ্রয় নিয়ে উক্ত কাজের ঠিকাদারী হাসিল করেন পিপলিতা গ্রামের সুলতান আহম্মেদ দুয়ারি। সুলতান দুয়ারি কাজ শুরু করে স্কুলটি বন্ধ করে দেন। দীর্ঘ তিন বছর শেষ হলেও তিনি আর স্কুলটি খুলে দেননি। ১৯৯৭ সালে এলাকাবাসী স্কুল খুলে দেয়ার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করেন। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ১৯৯৭ সালের ১৭ মে নেহালপুর রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা শিক্ষা অফিস, ইউপি চেয়ারম্যান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসীদের নিয়ে এক যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যাম লাল মজুমদার, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার ও কনক সরকার উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিদ্যালয়ে ঠিকাদার সুলতান দুয়ারি কর্তৃক লাগানো তালা ভেঙ্গে স্কুল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রায় তিন বছর স্কুলটি বন্ধ থাকার সুযোগে সুলতান দুয়ারি বিদ্যালয়ের খাতাপত্র নিজের দখলে নিয়ে জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে কনক সরকারের স্থলে নিজের সদ্য এসএসসি পাস করা স্ত্রী সুরাইয়া আক্তারকে ১৯৯০ সালে নিয়োগ দেখিয়ে কাগজপত্র তৈরি করেন। নিজের স্ত্রীর নিয়োগ নির্বঘ করার জন্য ১৯৯৮ সালে কনক সরকার নামের সহকারী শিক্ষককের নামে বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা দিয়ে এবং তার ওপর হামলা করে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেন। ১৯৯০ সালে ঝালকাঠি সদরের উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছিলেন পারভীন জাহান। তার স্বাক্ষর জাল করে সুলতান দুয়ারি তার স্ত্রীর নিয়োগপত্র তৈরি করেন। এলাকায় সুলতান দুয়ারি অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তার এসব অপকর্মের কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি। কেউ প্রতিবাদ করার পায়তারা করলেও তাকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী শুরু করেন সুলতান দুয়ারি। ২০১৩ সালে সরকার দেশের সকল রেজিস্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করণের ঘোষণা দিলে নেহালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়কেও সরকারি করা হয়। সরকারি করার পরে সুলতান দুয়ারি উপজেলা শিক্ষা অফিসের একাধিক কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে তার স্ত্রীর সুরাইয়া আক্তারের সার্ভিস বুক খোলেন। কিছুদিন আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ইএফটির মাধ্যমে পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিলে সুরাইয়া আক্তারের সার্ভিস বুক ঘেটে এসব অনিয়ম ধরা পরে। ঝালকাঠি উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, সুরাইয়া আক্তার ১৯৮৮ সালে গালুয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন, আর ১৯৯০ সালে তাকে নেহালপুর রেজিস্টার স্কুলে নিয়োগ দেখানো হয়, সুরাইয়ার বাবার বাড়ি রাজাপুর উপজেলার গালুয়ায় হলেও সার্বিস বুকে তার বাবার গ্রামের বাড়িও স্বামীর গ্রামের বাড়িরর ঠিকানা পিপলিতা গ্রামে দেখানো হয় যা রহস্যজনক। ৩১/০১/১৯৯৯ সালে সুরাইয়া আক্তারের সার্ভিসবই খোলা হলেও সেই থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সার্ভিস বইয়ে মাহবুব নামে একই অফিস সহকারীর হাতের লেখা তথ্য রয়েছে। এ সার্ভিস বইয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সকলের স্বাক্ষরই জাল। এমনকি সার্ভিস বই থেকে নিয়োগপত্রের কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে, জাল জালিয়াতির বিয়টি ধরা না পড়ে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মঈনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে যথা সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে জমা দেয়া হবে। অভিযুক্ত সুরাইয়া আক্তারের বক্তব্য জানার জন্য তার ০১৭৩২৩৩০১৫৮ নম্বরে কল করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনেই লাইন কেটে দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews