হুদা মালী, শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমূখার খোলপেটুয়া নদী থেকে যাত্রী বাহী ট্রলারসহ ৯ জনকে আটক করেছেন বনবিভাগ। ৯ই জুলাই (শুক্রবার) ভোর ৫টার দিকে সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম,এ হাসানের নেতৃত্বে, নদীর বিভিন্ন প্রজাতির আনুমানিক ২০০ কেজি মাছ ও যাত্রীবাহী ট্রলার সহ চালকে আটক করে বলে জানান বনবিভাগ।
আটক কৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা গ্রামের ছাকাত শেখের ছেলে শাহ আলম, রূপচাঁদ গাজীর ছেলে আজহারুল গাজী, আজিজ খা’র ছেলে ছামাদ খা, রফিকুল গাজীর ছেলে তরিকুল, সামছুর শেখের ছেলে নুরে আলম, মোকাম শেখের ছেলে রবিউল, হযরত শেখের ছেলে হেলাল শেখ, মান্দার শেখের ছেলে হযরত শেখ ও ট্রলার চালক জুব্বার গাজীর ছেলে শহিদুল গাজী।
ট্রলার চালক শহিদুল ইসলাম বলেন আমি প্রতিদিন গাবুরা চাঁদনীমূখা ঘাট হতে যাত্রী নিয়ে নীলডুমুর ঘাটে আসা-যাওয়া করি। শুক্রবার সকালে যাত্রী নিয়ে আশার পথে ৯নং সোরা এলাকা থেকে যাত্রীসহ আমার ট্রলার আটক করা হয়। আটককৃত হযরত বনবিভাগকে কুটুক্তি করে বলেন, দুই লক্ষ দশ হাজার টাকা দিয়েছি তাতে কোন দুঃখ নেই কিন্তু মাছের পেট থেকে ফুলকা বের করে নাই এটাই প্রথম দেখলাম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আটককৃত এক ব্যাক্তি বলেন, বন্ধের মধ্যেও সুন্দরবন খালি নেই বন বিভাগের সাথে চুক্তি করে সবাই সুন্দরবনের মাছ মারছে অথচ আমরা ব্যবসায়ী আমাদের ধরে জরিমানা লাগালো। আমি এতো করে বললাম আমার ট্রলারে সবাই যাত্রী তার পরও কোন কথায় কর্ণপাত না করে জোর করে আমাদের অফিসে নিয়ে আসেন।এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ জানান, সুন্দরবনের কাঠেরশর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানাচ্ছে ৯নং সোরা এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লোকালয় থেকে নয় নদী থেকে ধরেছে। আমি ছিলাম না এসিএফ স্যার আটক করেছেন সম্ভবত কলাগাছিয়া পার হয়ে টেকের মাথা থেকে। সুলতান আহম্মেদ আরো জানান বিভাগীয় পর্যায়ে একটি সি, আর করা হয়েছে। জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা ও মাছ বাবদ ৩০ হাজার টাকা দুই লক্ষ দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় বলে নিশ্চিত করেন তিনি। তবে আটককৃত ট্রলারটি বন বিভাগের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা এম এ হাসানের ব্যবহৃত নাম্বারে ফোন দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।